Ticker

25/recent/ticker-posts

Ad Code

Google Ads

কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে ভারতীয় সেনাবাহিনীর মহান বিজয় দিবস উদযাপন.... আমরা ভারতের সাথে বন্ধুত্ব রেখেছি, আমরা একই রকম আছি।



কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে ভারতীয় সেনাবাহিনীর মহান বিজয় দিবস উদযাপন,( ...আমরা ভারতের সাথে বন্ধুত্ব রেখেছি, আমরা একই রকম আছি।)

ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন সত্ত্বেও, ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় শাখা কলকাতায় বিজয় দিবস উদযাপন করেছে। বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের ছাড়াই বিজয় দিবস পালিত হতে পারে ফোর্ট উইলিয়ামে, আশঙ্কা উড়িয়ে ৫৩ তম মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে ।

সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় সদর দফতর কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে বিজয় দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন ভারতের সেনাবাহিনী, নৌ-বাহিনী এবং বিমান-বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় শাখার শীর্ষ সদস্যরা।

বাংলাদেশের কলকাতাস্থিত দূতাবাসের কোনো কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত না থাকলেও, বাংলাদেশ থেকে আগত ১৭ জনের মুক্তিযোদ্ধা ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য এবং তাদের পরিবার বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে প্রতিনিধি দলের যোগ দেওয়া নিয়ে সাময়িক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল।

এদিন সকালে, ফোর্ট উইলিয়ামের মূল ফটকের কাছে অবস্থিত বিজয় স্মারক স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ভারতের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল শংকর রায় চৌধুরী, সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাম চন্দ্র তিওয়ারীসহ তিন বাহিনীর শীর্ষ সদস্যরা।

বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে শহীদ স্মৃতিতে ফুলের শ্রদ্ধা জানান মেজর জেনারেল আব্দুস সালাম চৌধুরী এনডিসি (অব:) এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আমিনুর রহমান।

এরপর দুই দেশের প্রতিনিধিরা ফটোসেশনে অংশ নেন। সেনাবাহিনীর মাঠে আয়োজিত একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ সম্বলিত একটি প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি দলটি। সেই স্মৃতিবিজড়িত দৃশ্য দেখে অনেকেই আবেগতাড়িত হন। পরে ভারতীয় গণমাধ্যমের সামনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্নেল কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বিপি (অব:) বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশ- আমাদের দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে দারিদ্রতা। আমাদের দুই দেশকেই একত্রিত হয়ে সেই দারিদ্রতা দূর করতে হবে। আমাদের দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক ভালো না থাকলে, ভালোবাসা না থাকলে দুই দেশই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

সাম্প্রতিক কিছু ইস্যুতে ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে কর্নেল কাজী সাজ্জাদ বলেন, ‘ইতিহাসের অনেকগুলো পর্যায় আছে। সম্পর্কের উত্থান-পতন দুটোই হয়। পঁচাত্তরের নির্মম গণহত্যার পর একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তবে আমরা সেটা ওভারকাম করতে পেরেছি। বাংলাদেশ অনেকগুলি সমস্যা হয়েছে, ভারতেও অনেক পট পরিবর্তন হয়েছে। তারপরেও আমরা ভারতের সাথে বন্ধুত্ব রেখেছি, আমরা একই রকম আছি।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ