Ticker

25/recent/ticker-posts

Ad Code

Google Ads

আষাঢ়ের গল্প 🙂

 আষাঢ়ের গল্প 😶🌚

---------------------------

মজলুমের বিজয় নিশ্চিত। 

সেই ছোট কাল থেকেই যুদ্ধের কথা শুনতে শুনতে আর দেখতে দেখতেই অবস্ত। কোন দেশে বোমায় নিহত হয়েছে শুনলে আর আগের মতো তেমন কোন অনুভূতি হয় না । তবে অন্তর খুবই দুঃখীত হয় এই জন্যই যে,আমরা এই অত্যাধুনিক সভ্যতার যুগে এসেও আমাদের এই অবস্থা। মানবতা আজ মানবতা দারীদের হাতে উপর্যুপরি অপদস্ত..... ইরাক, আফগানিস্তান, সিরিয়া,ইয়েমেন,মালি,সুদান আফ্রিকা সহ আরও অনেক দেশে বিদ্যমান যুদ্ধের কথা শুনতে কানে বাঁধে না।

 সম্প্রতি আফগানিস্তান হতে মার্কিন ও ন্যাটো জোটের সৈন্য প্রত্যাহারের খবরে মনের কোণে কেন জানি অন্যরকম চঞ্চলতা অনুভূত হচ্ছে.. তাই একটুখানি প্রশান্তির ঢেকুর মিলানোর জন্য লিখতে বসা। আফগানদের যুদ্ধের ইতিহাস বেশ সমৃদ্ধ, আফগানদের সাথে যুদ্ধ করে পরিপূর্ণভাবে তাদের উপর প্রভাব বিস্তার ও আধিপত্য বিস্তার করতে কোন সুপার পাওয়ার আজ পর্যন্ত সফল হয়নি একথা সবাই জানি। তাদের সাথে যারা যুদ্ধ করেছে তারা কোনো না কোনোভাবে উপর্যুপরি অপদস্ত হয়েছে এই বিশ্বে। আমেরিকা ন্যাটো জোটের ভাগ্যে কি থাকতে পারে আদৌ কি সেরকম কোন কিছু আশা করা যাচ্ছে...? তবে প্রথা অনুযায়ী সেরকম কিছুই তো তাদের ভাগ্যে থাকার কথা, যে রকম ব্রিটিশ,সোভিয়েত ইউনিয়ন সুপার পাওয়ার দের কপালে ছিল। এই বিষয়ে আমেরিকানরা খুবই সচেতনভাবে আগাচ্ছে... আপোষ করতে চাচ্ছে.... আদৌ কি সফল হবে? আমার ক্ষুদ্র ভাবনা:-আফগান থেকে আমেরিকা ও ন্যাটো জোট সৈন্য প্রত্যাহারের পরবর্তিতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে পরিবর্তন হবে এটা নিঃসন্দেহে। আফগান অথবা ইরান পুরো মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এক প্রকার ঐক্য গড়ে তুলবে। বর্তমান পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান সৌদির সমঝোতার খবরে বিষয়টি পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফলে আমেরিকা ও পশ্চিমারা হারাবে মধ্যপ্রাচ্যের কর্তৃত্ব।

 মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক বিষয়টি আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশে প্রভাব পড়বে তবে বিষয়টা হবে অনেকটা জাতিগত বা গোষ্ঠী ভিত্তিক(গাজওয়ায়ে হিন্দ)।


 অন্যদিকে চীন-তাইওয়ানের জন্য তুর্কি-সিরিয়া-আজারবাইজান ইত্যাদির রাজনৈতিক ব্যাপার নিয়ে আমেরিকা উপর্যপরি অপদস্থ হবে রাজনৈতিকভাবে ফলে পুরো এশিয়াতে এক প্রকার প্রভাব ও কর্তৃত্ব হারাবে নিঃসন্দেহে।

সন্ত্রাসী হামলা থেকে সন্ত্রাসবাদ থেকে আমেরিকা উপকূল নিরাপদ রাখার জন্য অন্যায় যুদ্ধের... সূচনা করে।

আমেরিকানরা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সন্ত্রাসবাদ নির্মূল এর নামে অন্যায় ভাবে বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ করে তাদের যে ক্ষয়ক্ষতি করেছে তার প্রতিফল কি তারা পাবে না।? নাইন এলিভেনে টুইন টাওয়ারে হামলায় জেরে শুরু করে আদৌ কি শোধ করতে পেরেছে? আদৌতে বর্তমান আমেরিকানরা নিজেরাই বেশি সহিংসতার ঘটনা বেড়ে গিয়েছে.... পুরো বিশ্বের ধীক অর্জন করেছে সম্প্রতি Black lives matter- "ব্লেক লাইভস মেটার"

আন্দোলনে।

পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ঐক্য সম্প্রসারিত হবে,তাগুত সরকার বা গোষ্ঠী উপর্যপরি অধঃপতন হবে এবং পুরো এশিয়ায় একপ্রকার ঐক্য বিরাজমান থাকবে। সবাই চূড়ান্ত যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতে থাকবে...


আমাদের দেশে বর্তমানে যে হিংসা বিদ্বেষ অপরাধ সহিংসতা ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতার অপব্যবহার নিজেদের জনগণের উপর উপর্যুপরি ভাবে অপদস্থ করতেছে মোটেই উচিত নয়। ভবিষ্যতের অশনি সংকেত এর মোকাবেলা করার জন্য নিজের জাতিকে যথাযথভাবে প্রস্তুত করাই মুখ্য বিষয়।আজকে পশ্চিমাবিশ্বের মুসলিম বিদ্বেষী রোষানলে পড়ে নিজেদের জাতিকে মৌলবাদী ও সন্ত্রাসী চক্র আক্ষা দিয়ে অপদস্ত করা মোটেও উচিত নই। তবে আমার মতো কেউকেটা ক্যাটাগরির লোকের এই কথাটা বলা এদেশে মানায় না। 

যার ফলে চূড়ান্ত বিপদের সময় নিজের জাতির অস্তিত্ব রক্ষা করা দুর্বিষহ হয়ে পড়বে। তাই উচিত হবে পুরো জাতিকে সামরিক বিজ্ঞানের দিকে ঐক্যের দিকে মনোযোগ আকর্ষণ করা এবং সামরিক মৌলিক প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রশিক্ষিত করা। হয়তো বিষয়টা পশ্চিমারা ভালোভাবে দেখবে না কিন্তু আপনারা লক্ষ্য করলে দেখবেন পশ্চিমারাই তাদের ছোট ছোট বাচ্চাদের সমর বিদ্যায় পারদর্শী হওয়ার জন্য বিভিন্ন অস্ত্রের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান পরিচালনা করে। কিছু কিছু দেশে সব জনগণকে পরিপূর্ণ সামরিক প্রশিক্ষিত করে। যাতে প্রতিযোগিতার বিশ্বে নিজেদের অস্তিত্ব এবং প্রভাব আধিপত্য বিস্তারের জন্য জাতি সব সময় মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারে।

আমেরিকার কর্তৃত্ব খর্ব নিশ্চিতের জন্য রাশিয়া,চীন,ইরান, উত্তর কোরিয়া উঠেপড়ে লেগেছে এতে সন্দেহ নেই। তবে তাদের ভাগ্যে কি আছে উপরওয়ালাই জানে। একটা চিরন্তন সত্য কথা জুলুম বাজদের পতন অনিবার্য। আমরা এখন wait and see.... ছাড়া উপায় নেই। 

বিশ্বে আমেরিকানরা এক রকম ক্ষতি বা বিপদের অপেক্ষা করতেছে তা তারা খুব ভালোভাবে বুঝতে পারতেছে। এই কথাটা সম্প্রতি বিবিসি একটা প্রতিবেদনের এক আমেরিকান লেখক সাংবাদিকের কথায় উঠে এসেছে..."কিন্তু যুদ্ধের সমাপ্তি আমাদের জন্য খুব বেশি কিছু নই। আমাদের জন্য যা যুদ্ধের সমাপ্তি আফগানদের জন্য সেটা নই। ইরাকিদের জন্য সেটা সমাপ্তি নই। হয়তো এটা সূচনার সমাপ্তি মাত্র। আমাদের যার মুখোমুখি হতে হবে সে সম্পর্কে আমরা তেমন কিছুই জানবো না।"------------পিটার ভ্যান আগটমেল


এখন দেখার বিষয় তারা আফগানিস্তান পরিপূর্ণভাবে ত্যাগ কবে করে।

দেশে ও জাতীর মঙ্গল কামনায়....#Muhammad Aziz Ullah.


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ