Ticker

25/recent/ticker-posts

Ad Code

Google Ads

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন: আসাদের পতনের পর গোলানে বসতি বাড়াতে চাইছে ইসরায়েল...




বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন: আসাদের পতনের পর গোলানে বসতি বাড়াতে চাইছে ইসরায়েল...

ইসরায়েল সরকার দখলীকৃত গোলান উপত্যকায় বসতি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, সিরিয়ায় ইসলামপন্থী বিদ্রোহীদের হাতে আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়া সীমান্তে ‘নতুন ফ্রন্ট’ তৈরি হওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি ছিল।

 ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধের সময় ইসরায়েল এই এলাকাটি দখল করেছিল, যা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী অবৈধ।



আসাদের পতনের পর ইসরায়েলি বাহিনী গোলান মালভূমিতে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যকার বাফার জোনে প্রবেশ করেছে। ইসরায়েলের দাবি, দামেস্কের নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তন হওয়ায় আগের যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাতিল হয়ে গেছে।

গোলান হলো সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ১৮০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ১০০০ বর্গমাইল) আয়তনের একটি পাথুরে মালভূমি। এলাকাটি ইসরায়েলের উত্তর-পূর্বাঞ্চল স্পর্শ করেছে এবং বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আছে।

নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ইসরায়েলের মাঠের বাস্তবতার ভিত্তিতে সিরিয়ার বিষয়ে নীতি নির্ধারণ করবে। গোলানে বর্তমানে ত্রিশটির বেশি ইসরায়েলি বসতি আছে, যেখানে প্রায় বিশ হাজার মানুষ বাস করে। তবে বসতি স্থাপনকারীদের পাশাপাশি সেখানে বিশ হাজারের মতো সিরিয় নাগরিকও আছে।

সিরিয়ার নতুন ডি-ফ্যাক্টো নেতা আহমেদ আল-শারা সিরিয়ায় ইসরায়েলের চলমান হামলার সমালোচনার পরেই নেতানিয়াহু বসতি সম্প্রসারণের ঘোষণা দেন। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস (এসওএইচআর) জানিয়েছে, গত ৮ ডিসেম্বরের পর থেকে সিরিয়ায় অন্তত ৪৫০ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।

আল-শারা বলেন, ইসরায়েলের হামলা ‘সীমা লঙ্ঘন করছে’ এবং ওই অঞ্চলের উত্তেজনার ঝুঁকি তৈরি করছে। তবে তিনি বলেছেন, সিরিয়া কোনো প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে সংঘাতে যেতে চায় না।

ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স বা আইডিএফের প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি, তবে তারা বলেছে, সিরিয়ায় হামলা তাদের জন্য দরকার ছিল যাতে করে সেখানকার অস্ত্র উগ্রপন্থীদের হাতে চলে না যায়।





একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ