বিমানে কোটি কোটি ডলার-ইউরো মস্কোয় পাচার আসাদের
বিদ্রোহীদের দামেস্ক দখলের হুমকির মুখে সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ গত ৮ ডিসেম্বর দেশ ছেড়ে রাশিয়ায় পালিয়েছেন। এই ঘটনার পরেই উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের দাবি, ২০১৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে সিরিয়া থেকে মস্কোয় প্রায় ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমতুল্য অর্থ (বিভিন্ন দেশের নগদ মুদ্রায়) পাচার করেছে বাশারের সরকার।
এই তথ্য থেকে স্পষ্ট হয় যে, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যে একদিকে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠলেও অন্যদিকে রাশিয়ার সঙ্গে আর্থিক লেনদেন ও সম্পর্ক আরও মজবুত করেছেন বাশার আল-আসাদ। ফলে মস্কো এখন তাকে আশ্রয় দেবে, সেটি খুবই স্বাভাবিক।
সূত্রের দাবি অনুযায়ী, সিরিয়া থেকে মস্কোয় মূলত ১০০ মার্কিন ডলার এবং ৫০০ ইউরোর নোটের মাধ্যমে নগদ অর্থ পাঠানো হয়েছে, যা সব মিলিয়ে প্রায় ২ টন ওজনের।
পশ্চিমের উন্নত রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হওয়ার পর নিজের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখতে রাশিয়ার সঙ্গে এভাবে আর্থিক বন্ধন পোক্ত করেছেন বাশার। যখন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ সিরিয়ার ওপর একের পর এক আর্থিক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, তখনও রাশিয়ার সঙ্গে সমানে লেনদেন চালিয়ে গিয়েছেন বাশার। বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ বিমানের মাধ্যমে সিরিয়া থেকে রাশিয়ায় পাঠানো হয়েছে, যাতে দুর্দিনেও ক্রেমলিনের সহযোগিতায় নিরাপদ থাকতে পারেন বাশার ও তার সহচররা।
ফিন্যানশিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সিরিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংকের পক্ষ থেকে একাধিকবার বিমান রওনা দিয়েছে রাশিয়ার উদ্দেশে, যার গন্তব্য ছিল মস্কোর ভ্নুকোভো বিমানবন্দর। বিপুল পরিমাণ ওই নগদ অর্থ বিমানবন্দর থেকে সোজা রুশ ব্যাংকে পৌঁছেছে।
সূত্রের আরও দাবি, এই সংক্রান্ত তথ্যাবলী ইতিমধ্যেই সামনে আসতে শুরু করেছে।
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
0 মন্তব্যসমূহ