বক ধার্মিকের উৎপাত🙃🤐🌚
-----------------------------------------------------
রাজনীতি যেখানে উওম ব্যবসা, সেখানে গনতন্ত্রের যায় যায় অবস্থা ।চশমখোর প্রকৃতির নেতাদের কেউ শাপে বর হয় ..... আর কোথাও কোন ভন্ড সাধুর জয় জয়কার হয়।
বাঙালিরা একটি নির্দিষ্ট দলকে ভোট দিয়ে জয় করিয়ে রাতারাতি দেশের আমূল পরিবর্তনের স্বপ্ন/আকাঙক্ষা করে থাকে। বিশ্বাস করে তাদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি .... নির্বাচিত হলে... হেন করেগা তেন করেগা, যেখানে আসলে তারা নিজেদের পকেট ভরে গা।
জাতি এখানে চরম ভুলটা করে থাকে। দেশের যারা সেবক নামধারী রাজনীতিবিদ আছেন তাদের অন্ধ বিশ্বাস করা , সত্যিকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত না করা।যেখানে জাতি নাতিশীতোষ্ণ মুলক ভূমিকা টাও রাখতে অক্ষম। কবে বোধ হবে তাদের... জনগণই যে দেশের প্রকৃত মালিক ও রাজা। দেশ ও আমজনতার উন্নয়নের জন্য বিশেষ কোনো দলের দরকার নেই বরং দরকার বিশেষ গুনের বিশেষ লোকের বিশেষ উদ্যোগের।
যদি সমাজের তৃণমূল পর্যায় থেকেই জবাবদিহিতা মূলক প্রকৃত জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করে পুরো দেশটাকে সাজাতে, সকলে কঠিন সংকল্পের মাধ্যমে বাস্তবায়িত করার উদ্যোগ গ্ৰহন করতে পারি, তবেই প্রকৃত মুক্তি সম্ভব। দেশে তৃণমূল পর্যায়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সংখ্যাগরিষ্ঠ ব্যক্তিরা অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করে।
বর্তমানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ এই নির্বাচন মাধ্যমে কে/ ব্যবস্থাকে চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি ঘুষ দুর্নীতি অনিয়মের লাইসেন্স সংগ্রহ করার মাধ্যম মনে করেন। কারণ আজকালকার অধিক সংখ্যক অনিয়ম দুর্নীতি তাদের দ্বারাই প্রমাণিত হচ্ছে। তাছাড়া সৎ সুশিক্ষিত যোগ্য প্রতিভাবানদের এই অপরাজনীতির বিরুদ্ধে অংশগ্রহণকারী না হওয়ায় আরো অধিকতর ভাবে বর্তমান সমাজ কে অপদস্থ করার দারুন সুযোগ পাচ্ছে। বর্তমান সমাজে যোগ্যদের অনুপস্থিতিতে/নিরবতায় উক্ত অসাধু লোকজন ভালো মত ফাঁকা মাঠে গোল দিয়ে জনগণের উপর জোঁকের মতো আকড়ে ধরে আছে। দেশে এত অন্যায় অত্যাচারের শিকারেও কি সুশিক্ষিত যোগ্য প্রতিভাবানদের কি টনক নড়বে না???, রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে তারা অংশগ্রহণকারী হবে না??? শুধু পড়ালেখা করে নিজের প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য চাকরি আর বিদেশ সফরের উপরে থাকবে???
বক নেতারাই বংশ পরম্পরায় রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে চরম অনিয়ম দুর্নীতি উৎসব উদযাপন করতেই থাকবে???
কিছু এলিট শ্রেণী খ্যাত অসাধু সরকারি আমলা কামলা আছেন তাদের ভিতরে ও বিশেষ পার্থক্য নেই। দুই মিলে চরম অনিয়ম দুর্নীতি উৎসব চালাচ্ছে।অজগর ও কালসাপ পুষতেছে জনগণ।
ব্রিটিশদের আমরা তাড়িয়েছি ঠিকই,আদৌতে বর্তমানে তাদের বংশ ধ্বংস করতে পারিনি।যাদের অত্যাচারে সমাজের সাধারণ জনগণের সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বাদ নিতে পারছেনা।দেশটা দুই তিন বার স্বাধীন করেও জনগণ প্রকৃত স্বাধীনতা পেলনা।
হে সু নাগরিক কবে জাগ্ৰত হবে তুমি? কবে দেখা মিলবে নতুন ঊষা??
কথায় আছে যে জাতি নিজেদের ভাগ্য বদলানোর চেষ্টা করে না সৃষ্টিকর্তাও তাদের সাহায্য করে না।
সমাজ ও রাজনীতির নতুন ধারার উত্থান এখন সময়ের দাবি,এই ভাবে আর চলতে পারে না!!
পরিবর্তনের জন্য বিশেষ কোনো দলের উত্থানের আশা করে লাভ নেই বরং দরকার সিস্টেম পাল্টানোর গণজাগরণের 🗣️।
# Muhammd Aziz Ullah

0 মন্তব্যসমূহ